থিংক পজেটিভ, বি পজেটিভ

আমাদের অনেকের মধ্যেই একটা ব্যাপার প্রায় দেখা যায় যে আমরা খুব অল্পতেই আশা হারিয়ে ফেলি। কোন কিছুতে দুই একবার ব্যর্থ হলেই আমরা ভাবতে শুরু করি “এই কাজ বোধহয় আমাকে দিয়ে হবে না”। আশা ছেড়ে দেয়ার আগে নিচের চারটা ব্যপার ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ রইল।

১। প্রথমেই দেখবেন আপনি যে কারণে হতাশ হচ্ছেন সেই কারণটার পেছনে কি আপনার হাত আছে? যেমন ধরুন আপনার ১ মাস যাবত জ্বর ছিল, যার জন্য আপনি কোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর যা কিছু শিখেছিলেন সব ভুলে গিয়েছেন। এর জন্য আপনি আশাহত হয়ে প্রোগ্রামিং শেখাই ছেড়ে দিচ্ছেন। এখন ভেবে দেখুন তো এই জ্বর এর পেছনে আপনার কোন হাত আছে? আবশ্যই না। তাহলে আপনি হতাশ হচ্ছেন কেন? বিষয়টাকে পজেটিভ ভাবে নিন, একটা দম নিয়ে আবার কাজে নেমে পড়ুন।

২। ধরুন আপনার এক রুমমেটের কারণে আপনার কোন একটা কাজ করতে খুব অসুবিধা হচ্ছে। আপনি হতাশ হয়ে গেলেন, মনে মনে ভাবতে লাগলেন এত সমস্যার মধ্যে কাজ করা যায় না। এখন ভেবে দেখুন তো আপনার রুমমেটের এর কারণে সৃষ্ট অসুবিধার পেছনে আপনার কোন হাত আছে? যদি না থাকে তবে তাকে ইগনোর করুন । নতুন উদ্ধমে নেমে পড়ুন কাজে ।

৩। কোন একটা কাজে ব্যর্থ হলে একটু চিন্তা করে দেখবেন আপনি ঐ কাজটার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন কিনা? আপনি যদি কলা গাছ লাগিয়ে সেটা থেকে আপেল আশা করেন তাহলে কি কোন লাভ হবে? আপনার চেষ্টায় যদি ঘাটতি থাকে এবং আপনি যদি সেই কাজটায় সফল না হতে পারেন তবে সেটার জন্য হতাশ হয়ে কোন লাভ নেই, বরং চিন্তা করুন আগামীতে কিভাবে সেই কাজটাতে ভালো করা যায়।

৪। আপনাকে মানতে হবে প্রতিটি খেলায়ই জয়-পরাজয় আছে। তেমনি আপনার যেকোনো কাজেও পরাজয় আসতে পারে। কিন্তু এই পরাজয় দেখে বসে থাকলে হবে না। মাঠের খেলোয়াড়দের মত জীবন মাঠের খেলায়ও আপনাকে আবার নামতে হবে। জয় আসবেই ইনশাআল্লাহ।

২ thoughts on “থিংক পজেটিভ, বি পজেটিভ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *