এটি একটি নতুন পোস্ট

তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টেকটক এ আপনাকে স্বাগতম। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক নতুন নতুন বিভিন্ন বিষয় জানতে টেকটক এর সাথেই থাকুন। এই সাইটের প্রতিটি লিখার স্বত্ব টেকটক এর নিকট সংরক্ষিত। এডমিন এর অনুমতি ব্যাতিত কোন লিখা কোথাও পুনঃপ্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন। আমাদের সাথে আপনার পথচলা শুভ হোক।

থিংক পজেটিভ, বি পজেটিভ

আমাদের অনেকের মধ্যেই একটা ব্যাপার প্রায় দেখা যায় যে আমরা খুব অল্পতেই আশা হারিয়ে ফেলি। কোন কিছুতে দুই একবার ব্যর্থ হলেই আমরা ভাবতে শুরু করি “এই কাজ বোধহয় আমাকে দিয়ে হবে না”। আশা ছেড়ে দেয়ার আগে নিচের চারটা ব্যপার ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ রইল।

১। প্রথমেই দেখবেন আপনি যে কারণে হতাশ হচ্ছেন সেই কারণটার পেছনে কি আপনার হাত আছে? যেমন ধরুন আপনার ১ মাস যাবত জ্বর ছিল, যার জন্য আপনি কোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর যা কিছু শিখেছিলেন সব ভুলে গিয়েছেন। এর জন্য আপনি আশাহত হয়ে প্রোগ্রামিং শেখাই ছেড়ে দিচ্ছেন। এখন ভেবে দেখুন তো এই জ্বর এর পেছনে আপনার কোন হাত আছে? আবশ্যই না। তাহলে আপনি হতাশ হচ্ছেন কেন? বিষয়টাকে পজেটিভ ভাবে নিন, একটা দম নিয়ে আবার কাজে নেমে পড়ুন।

২। ধরুন আপনার এক রুমমেটের কারণে আপনার কোন একটা কাজ করতে খুব অসুবিধা হচ্ছে। আপনি হতাশ হয়ে গেলেন, মনে মনে ভাবতে লাগলেন এত সমস্যার মধ্যে কাজ করা যায় না। এখন ভেবে দেখুন তো আপনার রুমমেটের এর কারণে সৃষ্ট অসুবিধার পেছনে আপনার কোন হাত আছে? যদি না থাকে তবে তাকে ইগনোর করুন । নতুন উদ্ধমে নেমে পড়ুন কাজে ।

৩। কোন একটা কাজে ব্যর্থ হলে একটু চিন্তা করে দেখবেন আপনি ঐ কাজটার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন কিনা? আপনি যদি কলা গাছ লাগিয়ে সেটা থেকে আপেল আশা করেন তাহলে কি কোন লাভ হবে? আপনার চেষ্টায় যদি ঘাটতি থাকে এবং আপনি যদি সেই কাজটায় সফল না হতে পারেন তবে সেটার জন্য হতাশ হয়ে কোন লাভ নেই, বরং চিন্তা করুন আগামীতে কিভাবে সেই কাজটাতে ভালো করা যায়।

৪। আপনাকে মানতে হবে প্রতিটি খেলায়ই জয়-পরাজয় আছে। তেমনি আপনার যেকোনো কাজেও পরাজয় আসতে পারে। কিন্তু এই পরাজয় দেখে বসে থাকলে হবে না। মাঠের খেলোয়াড়দের মত জীবন মাঠের খেলায়ও আপনাকে আবার নামতে হবে। জয় আসবেই ইনশাআল্লাহ।

শুরু হোক জীবন মাঠের খেলা, এখনি

দুই পায়ে সাত বার সার্জারি করা ছেলেটি যদি দেশের জন্য ঘন্টায় ১৩০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে, সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক হতে পারে, তাহলে আপনার ও পৃথিবীকে অনেক কিছু দেখানোর বাকি রয়ে গেছে।
আপনার উচিৎ এখনই লম্বা একটা দম নিয়ে কাজের মাঠে নেমে যাওয়া।
হ্যাঁ আপনি পারবেন। আপনাকে পারতেই হহবে। আপনার চলার পথে বাঁধা দেওয়ার জন্য অনেকেই ভিলেন রূপে থাকবে।
ভয় পাবেন না, ভিলেন না থাকলে হিরো হবেন কি করে?
খালি মাঠে গোল দেওয়া সম্ভব, কিন্তু লিওনেল মেসি হওয়া সম্ভব নয়। জীবনের মাঠে মেসি হতে হলে আপনাকে অনেক প্রতিবন্ধকতার সাথে ড্রিবলিং করতে হবে।
তাহলে শুরু করুন জীবন মাঠের খেলা ।
এখনি…..

ঝুঁকি – সফলতার প্রথম ধাপ

“একবার এক ধনী লোক ৫ মাসের জন্য তার নিজের গ্রাম ছেড়ে অন্য গ্রামে চলে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার সময় তার মনে হল তার নিজের সম্পদ থেকে কিছুটা তার গ্রামের কিছু মানুষকে দিয়ে যাবেন। তাই তিনি তার গ্রামের তিন যুবককে কিছু স্বর্ণমুদ্রা দিলেন। প্রথম যুবককে দিলেন ৫ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা , দ্বিতীয় যুবককে দিলেন ৩ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা , আর ৩য় যুবককে দিলনে এক ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা। তো ১ম যুবক ভাবলো আমার কাছে তো ৫ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা আছে আমি এখান থেকে কিছু স্বর্ণমুদ্রা কোন একটা কাজে বিনিয়োগ করি । তেমনি ২য় যুবকটিও ভাবলো আমার কাছে তো ৩ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা আছে আমি এখান থেকে কিছু স্বর্ণমুদ্রা কোন একটা ব্যাবসায়ের কাজে বিনিয়োগ করি। কিন্তু ৩য় যুবকটিও ভাবলো আমার কাছে তো মাত্র এক ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা আছে, আমি যদি এটা কোথাও বিনিয়োগ করতে গিয়ে লসের মুখে পড়ি তখন তো আমার সবগুলো স্বর্ণমুদ্রা শেষ হয়ে যাবে। তাই সে ঝুঁকির ভয়ে স্বর্ণমুদ্রা গুলো মাটিতে পুঁতে রাখলো।

৫ মাস পর ঐ ধনী লোকটি তার গ্রামে ফিরে এলেন এবং ঐ তিন যুবককে জিজ্ঞাসা করলেন তারা স্বর্ণমুদ্রাগুলো দিয়ে কি করেছে। ১ম যুবক বলল সে একটা কাজে স্বর্ণমুদ্রাগুলো বিনিয়োগ করে ৫ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা থেকে ১০ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা করেছে। ২য় যুবকটি বলল সে একটা ব্যবসায়ে তার স্বর্ণমুদ্রা গুলো বিনিয়োগ করে ৩ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা থেকে ৫ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা করেছে। তাদের কথা শুনে ধনী লোকটি খুব খুশী হলেন। এবার ৩য় যুবকটি বলল আমাকে তো মাত্র ১ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা দিয়েছেন, তাই আমি লস হওয়ার ভয়ে সেগুলো কোথাও বিনিয়োগ না করে মাটিতে পুঁতে রেখেছি। ৩য় যুবকটির এই কথা শুনে ধনী লোকটি রেগে গিয়ে তার কাছ থেকে ঐ ১ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা নিয়ে ১ম ও ২য় যুবককে ভাগ করে দিয়ে দিলেন। “

পৃথিবীতে সব মানুষ সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মায় না। পৃথিবীর অধিকাংশ সফল মানুষেরাই তাঁদের পরিশ্রম , ধৈর্য এবং ঝুঁকি নেয়ার মানসিকতা দিয়ে সফলতা অর্জন করেছেন। সবার সব কিছু থাকে না, তবে কিছু না কিছু অবশ্যই থাকে। আপনার কি নেই তা নিয়ে আপসোস না করে যা আছে তাই নিয়েই কাজে নেমে পড়ুন। মাঠের খেলায় যেমন জয় পরাজয় আছে, তেমনি জীবনের খেলায়ও আছে জয় পরাজয় । কিন্তু পরাজয় এর ভয়ে আপনি যদি মাঠেই না নামেন তবে জয়ের মুখ আপনি কখনই দেখবেন না। আপনাকে ঝুঁকি নিতেই হবে। প্রথম প্রথম হয়ত জয়টা ধরা দিতে চাইবে না। কিন্তু একদিন আপনার নেয়া ঝুঁকিটাই আপনাকে জীবনের খেলায় জয় এনে দিবে। তাই হেরে যাওয়ার ভয়কে জয় করে মাঠে নেমে পড়ুন আজই। জয় আসবেই ইনশাআল্লাহ।

ধারনাঃ সাদমান সাদিক ভাইয়া

থিংক পজেটিভ, বি পজেটিভ

আমাদের অনেকের মধ্যেই একটা ব্যাপার প্রায় দেখা যায় যে আমরা খুব অল্পতেই আশা হারিয়ে ফেলি। কোন কিছুতে দুই একবার ব্যর্থ হলেই আমরা ভাবতে শুরু করি “এই কাজ বোধহয় আমাকে দিয়ে হবে না”। আশা ছেড়ে দেয়ার আগে নিচের চারটা ব্যপার ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ রইল।

১। প্রথমেই দেখবেন আপনি যে কারণে হতাশ হচ্ছেন সেই কারণটার পেছনে কি আপনার হাত আছে? যেমন ধরুন আপনার ১ মাস যাবত জ্বর ছিল, যার জন্য আপনি কোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর যা কিছু শিখেছিলেন সব ভুলে গিয়েছেন। এর জন্য আপনি আশাহত হয়ে প্রোগ্রামিং শেখাই ছেড়ে দিচ্ছেন। এখন ভেবে দেখুন তো এই জ্বর এর পেছনে আপনার কোন হাত আছে? আবশ্যই না। তাহলে আপনি হতাশ হচ্ছেন কেন? বিষয়টাকে পজেটিভ ভাবে নিন, একটা দম নিয়ে আবার কাজে নেমে পড়ুন।

২। ধরুন আপনার এক রুমমেটের কারণে আপনার কোন একটা কাজ করতে খুব অসুবিধা হচ্ছে। আপনি হতাশ হয়ে গেলেন, মনে মনে ভাবতে লাগলেন এত সমস্যার মধ্যে কাজ করা যায় না। এখন ভেবে দেখুন তো আপনার রুমমেটের এর কারণে সৃষ্ট অসুবিধার পেছনে আপনার কোন হাত আছে? যদি না থাকে তবে তাকে ইগনোর করুন । নতুন উদ্ধমে নেমে পড়ুন কাজে ।

৩। কোন একটা কাজে ব্যর্থ হলে একটু চিন্তা করে দেখবেন আপনি ঐ কাজটার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন কিনা? আপনি যদি কলা গাছ লাগিয়ে সেটা থেকে আপেল আশা করেন তাহলে কি কোন লাভ হবে? আপনার চেষ্টায় যদি ঘাটতি থাকে এবং আপনি যদি সেই কাজটায় সফল না হতে পারেন তবে সেটার জন্য হতাশ হয়ে কোন লাভ নেই, বরং চিন্তা করুন আগামীতে কিভাবে সেই কাজটাতে ভালো করা যায়।

৪। আপনাকে মানতে হবে প্রতিটি খেলায়ই জয়-পরাজয় আছে। তেমনি আপনার যেকোনো কাজেও পরাজয় আসতে পারে। কিন্তু এই পরাজয় দেখে বসে থাকলে হবে না। মাঠের খেলোয়াড়দের মত জীবন মাঠের খেলায়ও আপনাকে আবার নামতে হবে। জয় আসবেই ইনশাআল্লাহ।

ঝুঁকি – সফলতার প্রথম ধাপ

“একবার এক ধনী লোক ৫ মাসের জন্য তার নিজের গ্রাম ছেড়ে অন্য গ্রামে চলে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার সময় তার মনে হল তার নিজের সম্পদ থেকে কিছুটা তার গ্রামের কিছু মানুষকে দিয়ে যাবেন। তাই তিনি তার গ্রামের তিন যুবককে কিছু স্বর্ণমুদ্রা দিলেন। প্রথম যুবককে দিলেন ৫ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা , দ্বিতীয় যুবককে দিলেন ৩ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা , আর ৩য় যুবককে দিলনে এক ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা। তো ১ম যুবক ভাবলো আমার কাছে তো ৫ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা আছে আমি এখান থেকে কিছু স্বর্ণমুদ্রা কোন একটা কাজে বিনিয়োগ করি । তেমনি ২য় যুবকটিও ভাবলো আমার কাছে তো ৩ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা আছে আমি এখান থেকে কিছু স্বর্ণমুদ্রা কোন একটা ব্যাবসায়ের কাজে বিনিয়োগ করি। কিন্তু ৩য় যুবকটিও ভাবলো আমার কাছে তো মাত্র এক ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা আছে, আমি যদি এটা কোথাও বিনিয়োগ করতে গিয়ে লসের মুখে পড়ি তখন তো আমার সবগুলো স্বর্ণমুদ্রা শেষ হয়ে যাবে। তাই সে ঝুঁকির ভয়ে স্বর্ণমুদ্রা গুলো মাটিতে পুঁতে রাখলো।

৫ মাস পর ঐ ধনী লোকটি তার গ্রামে ফিরে এলেন এবং ঐ তিন যুবককে জিজ্ঞাসা করলেন তারা স্বর্ণমুদ্রাগুলো দিয়ে কি করেছে। ১ম যুবক বলল সে একটা কাজে স্বর্ণমুদ্রাগুলো বিনিয়োগ করে ৫ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা থেকে ১০ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা করেছে। ২য় যুবকটি বলল সে একটা ব্যবসায়ে তার স্বর্ণমুদ্রা গুলো বিনিয়োগ করে ৩ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা থেকে ৫ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা করেছে। তাদের কথা শুনে ধনী লোকটি খুব খুশী হলেন। এবার ৩য় যুবকটি বলল আমাকে তো মাত্র ১ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা দিয়েছেন, তাই আমি লস হওয়ার ভয়ে সেগুলো কোথাও বিনিয়োগ না করে মাটিতে পুঁতে রেখেছি। ৩য় যুবকটির এই কথা শুনে ধনী লোকটি রেগে গিয়ে তার কাছ থেকে ঐ ১ ব্যাগ স্বর্ণমুদ্রা নিয়ে ১ম ও ২য় যুবককে ভাগ করে দিয়ে দিলেন। “

পৃথিবীতে সব মানুষ সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মায় না। পৃথিবীর অধিকাংশ সফল মানুষেরাই তাঁদের পরিশ্রম , ধৈর্য এবং ঝুঁকি নেয়ার মানসিকতা দিয়ে সফলতা অর্জন করেছেন। সবার সব কিছু থাকে না, তবে কিছু না কিছু অবশ্যই থাকে। আপনার কি নেই তা নিয়ে আপসোস না করে যা আছে তাই নিয়েই কাজে নেমে পড়ুন। মাঠের খেলায় যেমন জয় পরাজয় আছে, তেমনি জীবনের খেলায়ও আছে জয় পরাজয় । কিন্তু পরাজয় এর ভয়ে আপনি যদি মাঠেই না নামেন তবে জয়ের মুখ আপনি কখনই দেখবেন না। আপনাকে ঝুঁকি নিতেই হবে। প্রথম প্রথম হয়ত জয়টা ধরা দিতে চাইবে না। কিন্তু একদিন আপনার নেয়া ঝুঁকিটাই আপনাকে জীবনের খেলায় জয় এনে দিবে। তাই হেরে যাওয়ার ভয়কে জয় করে মাঠে নেমে পড়ুন আজই। জয় আসবেই ইনশাআল্লাহ।

ধারনাঃ সাদমান সাদিক ভাইয়া

শুরু হোক জীবন মাঠের খেলা, এখনি

আমাদের অনেকের মধ্যেই একটা ব্যাপার প্রায় দেখা যায় যে আমরা খুব অল্পতেই আশা হারিয়ে ফেলি। কোন কিছুতে দুই একবার ব্যর্থ হলেই আমরা ভাবতে শুরু করি “এই কাজ বোধহয় আমাকে দিয়ে হবে না”। আশা ছেড়ে দেয়ার আগে নিচের চারটা ব্যপার ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ রইল।

১। প্রথমেই দেখবেন আপনি যে কারণে হতাশ হচ্ছেন সেই কারণটার পেছনে কি আপনার হাত আছে? যেমন ধরুন আপনার ১ মাস যাবত জ্বর ছিল, যার জন্য আপনি কোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর যা কিছু শিখেছিলেন সব ভুলে গিয়েছেন। এর জন্য আপনি আশাহত হয়ে প্রোগ্রামিং শেখাই ছেড়ে দিচ্ছেন। এখন ভেবে দেখুন তো এই জ্বর এর পেছনে আপনার কোন হাত আছে? আবশ্যই না। তাহলে আপনি হতাশ হচ্ছেন কেন? বিষয়টাকে পজেটিভ ভাবে নিন, একটা দম নিয়ে আবার কাজে নেমে পড়ুন।

২। ধরুন আপনার এক রুমমেটের কারণে আপনার কোন একটা কাজ করতে খুব অসুবিধা হচ্ছে। আপনি হতাশ হয়ে গেলেন, মনে মনে ভাবতে লাগলেন এত সমস্যার মধ্যে কাজ করা যায় না। এখন ভেবে দেখুন তো আপনার রুমমেটের এর কারণে সৃষ্ট অসুবিধার পেছনে আপনার কোন হাত আছে? যদি না থাকে তবে তাকে ইগনোর করুন । নতুন উদ্ধমে নেমে পড়ুন কাজে ।

৩। কোন একটা কাজে ব্যর্থ হলে একটু চিন্তা করে দেখবেন আপনি ঐ কাজটার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন কিনা? আপনি যদি কলা গাছ লাগিয়ে সেটা থেকে আপেল আশা করেন তাহলে কি কোন লাভ হবে? আপনার চেষ্টায় যদি ঘাটতি থাকে এবং আপনি যদি সেই কাজটায় সফল না হতে পারেন তবে সেটার জন্য হতাশ হয়ে কোন লাভ নেই, বরং চিন্তা করুন আগামীতে কিভাবে সেই কাজটাতে ভালো করা যায়।

৪। আপনাকে মানতে হবে প্রতিটি খেলায়ই জয়-পরাজয় আছে। তেমনি আপনার যেকোনো কাজেও পরাজয় আসতে পারে। কিন্তু এই পরাজয় দেখে বসে থাকলে হবে না। মাঠের খেলোয়াড়দের মত জীবন মাঠের খেলায়ও আপনাকে আবার নামতে হবে। জয় আসবেই ইনশাআল্লাহ।

শুরু হোক জীবন মাঠের খেলা, এখনি

দুই পায়ে সাত বার সার্জারি করা ছেলেটি যদি দেশের জন্য ঘন্টায় ১৩০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে, সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক হতে পারে, তাহলে আপনার ও পৃথিবীকে অনেক কিছু দেখানোর বাকি রয়ে গেছে।
আপনার উচিৎ এখনই লম্বা একটা দম নিয়ে কাজের মাঠে নেমে যাওয়া।
হ্যাঁ আপনি পারবেন। আপনাকে পারতেই হহবে। আপনার চলার পথে বাঁধা দেওয়ার জন্য অনেকেই ভিলেন রূপে থাকবে।
ভয় পাবেন না, ভিলেন না থাকলে হিরো হবেন কি করে?
খালি মাঠে গোল দেওয়া সম্ভব, কিন্তু লিওনেল মেসি হওয়া সম্ভব নয়। জীবনের মাঠে মেসি হতে হলে আপনাকে অনেক প্রতিবন্ধকতার সাথে ড্রিবলিং করতে হবে।
তাহলে শুরু করুন জীবন মাঠের খেলা ।
এখনি…..